কোর’আন শরীফে হযরত ঈসা মসীহের নাম ও উপাধী

কোর’আন শরীফে হযরত ঈসা মসীহের নাম ও উপাধী

কোর’আন শরীফ আরবীতে লেখা একটি বিশাল বড় বই, বিশ্বের অধিকাংশ মানুষের জন্য বিদেশী ভাষায়। সেই কারণে খুব অল্প কিছু মানুষ এর বিভিন্ন বিষয়গুলো সিঠিকভাবে বুঝে। এগুলোর মধ্যে অন্যতম একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হচ্ছে আল্লাহ্‌ বিভিন্ন সময় বিভিন্ন নবী ও রাসূলদের পৃথিবীতে পাঠানো সম্পর্কে। ঐ সব নবী ও রাসূলদের মধ্যে অন্যতম একজন হলেন বিবি মারইয়ামের পুত্র ঈসা নবী যাঁর কথা কোর’আনে অনেক কিছু বলা হয়েছে।
পৃথিবীর বেশির ভাগ মানুষ হযরত ঈসার নাম জানে এবং তাঁর জীবনী ও কর্ম সম্পর্ক অল্প কিছু কথাও শুনেছে। যাই হোক, কোরআনের বর্ণনা আনুযায়ী তাঁর অনেক ও বিভিন্ন পথের কথা খুব অল্প কিছু মানুষ সঠিকভাবে জানে। সেইজন্য এই পাঠের ব্যবস্থা করা হয়েছে। ছোট এই পাঠটির উদ্দেশ্য হল পাঠককে কোর’আন আনুসারে ঈসা নবী সম্পর্কে সঠিক ও পরিষ্কারভাবে ধারণা দেওয়া। নিচের উক্তিগুলো সরাসরি ইসলামিক ফাউন্ডেশন বাংলাদেশ হতে প্রকাশিত আল-কুরআনুল করীম থেকে নেওয়া হয়েছে। একজন পাঠক এই বইটি পড়ে নিজে আরো সঠিক ও ভালভাবে জানতে সক্ষম হবে, কিভাবে কোরআন ঈসা নবীকে নবুয়তের মর্যাদা দিয়েছে।


’ঈসা (নাজাতদাতা)

’ঈসা (নাজাতদাতা)

فَلَمَّا أَحَسَّ عِيسَى مِنْهُمُ الْكُفْرَ قَالَ مَنْ أَنصَارِي إِلَى اللّهِ قَالَ الْحَوَارِيُّونَ نَحْنُ أَنصَارُ اللّهِ آمَنَّا بِاللّهِ وَاشْهَدْ بِأَنَّا مُسْلِمُونَ۝

“যখন ‘ঈসা তাহাদের অবিশ্বাস উপলব্ধি করিল তখন সে বলিল, ‘আল্লাহ্‌র পথে কাহারা আমার সাহায্যকারী?’ হাওয়ারীগণ বলিল, ‘আমরাই আল্লাহ্‌র পথে সাহায্যকারী। আমরা আল্লাহে ঈমান আনিয়াছি। আমরা আত্মসমর্পণকারী, তুমি ইহার সাক্ষী থাক।”
(আলে-‘ইমরান ৩:৫২)

قُولُواْ آمَنَّا بِاللّهِ وَمَآ أُنزِلَ إِلَيْنَا وَمَا أُنزِلَ إِلَى إِبْرَاهِيمَ وَإِسْمَاعِيلَ وَإِسْحَقَ وَيَعْقُوبَ وَالأسْبَاطِ وَمَا أُوتِيَ مُوسَى وَعِيسَى وَمَا أُوتِيَ النَّبِيُّونَ مِن رَّبِّهِمْ لاَ نُفَرِّقُ بَيْنَ أَحَدٍ مِّنْهُمْ وَنَحْنُ لَهُ مُسْلِمُونَ ۝

“তোমরা বল, আমরা আল্লাহ্‌তে ঈমান রাখি, এবং যাহা আমাদের প্রতি এবং ইব্‌রাহীম, ইসমা’ঈল, ইসহাক, ইয়া’কূব ও তাহার বংশধরগণের প্রতি অবতীর্ণ হইয়াছে, এবং যাহা তাহাদের প্রতিপালকের নিকট হইতে মূসা, ‘ঈসা ও অন্যান্য নবীগণকে দেওয়া হইয়াছে। আমরা তাহাদের মধ্যে কোন পার্থক্য করি না এবং আমরা তাঁহারই নিকট আত্মসমর্পণকারী।’” (আল বাক্বারাহ ২:১৩৬)

وَلَمَّا جَاء عِيسَى بِالْبَيِّنَاتِ قَالَ قَدْ جِئْتُكُم بِالْحِكْمَةِ وَلِأُبَيِّنَ لَكُم بَعْضَ الَّذِي تَخْتَلِفُونَ فِيهِ فَاتَّقُوا اللَّهَ وَأَطِيعُونِ ۝

“ঈসা যখন স্পষ্ট নিদর্শনসহ আসিল তখন সে বলিয়াছিল, ‘আমি তো তোমাদের নিকট আসিয়াছি প্রজ্ঞাসহ এবং তোমরা যে কতক বিষয়ে মতভেদ করিতেছ, তাহা স্পষ্ট করিয়া দিবার জন্য। সুতরাং তোমরা আল্লাহ্‌কে ভয় কর এবং আমার অনুসরণ কর।”
(যুখরুফ ৪৩:৬৩)

আল-মাসীহ্‌ (মনোনীত ব্যক্তি)

maseeh

وَقَالَ الْمَسِيحُ يَا بَنِي إِسْرَائِيلَ اعْبُدُواْ اللّهَ رَبِّي وَرَبَّكُمْ إِنَّهُ مَن يُشْرِكْ بِاللّهِ فَقَدْ حَرَّمَ اللّهُ عَلَيهِ الْجَنَّةَ وَمَأْوَاهُ النَّارُ وَمَا لِلظَّالِمِينَ مِنْ أَنصَارٍ۝

“. . . অথচ মসীহ্‌ বলিয়াছিল, ‘হে বনী ইস্‌রাঈল! তোমরা আমার প্রতিপালক ও তোমাদের প্রতিপালক আল্লাহ্‌র ‘ইবাদত কর।’ কেহ আল্লাহ্‌র শরীক করিলে আল্লাহ্‌ তাহার জন্য জান্নাত অবশ্যই নিষিদ্ধ করিবেন এবং তাহার আবাস জাহান্নাম। যালিমদের জন্য কোন সাহায্যকারী নাই।” (মায়িদা ৫:৭২)

لَّن يَسْتَنكِفَ الْمَسِيحُ أَن يَكُونَ عَبْداً لِّلّهِ وَلاَ الْمَلآئِكَةُ الْمُقَرَّبُونَ وَمَن يَسْتَنكِفْ عَنْ عِبَادَتِهِ وَيَسْتَكْبِرْ فَسَيَحْشُرُهُمْ إِلَيهِ جَمِيعًا۝

“মসীহ্‌ আল্লাহ্‌র বান্দা হওয়াকে কখনও হেয় জ্ঞান করে না, এবং ঘনিষ্ঠ ফিরিশ্‌তাগণও করে না। আর কেহ তাঁহার ‘ইবাদতকে হেয় জ্ঞান করিলে এবং অহংকার করিলে তিনি অবশ্যই তাহাদের সকলকে তাঁহার নিকট একত্র করিবেন।” (নিসা ৪:১৭২)

জাকীয়্‌ (পবিত্র, নিষ্পাপ)

zakiy

قَالَ إِنَّمَا أَنَا رَسُولُ رَبِّكِ لِأَهَبَ لَكِ غُلَامًا زَكِيًّا۝

“সে [আল্লাহ্‌র রূহ্‌] বলিল, ‘আমি তো তোমার প্রতিপালক-প্রেরিত, তোমাকে এক পবিত্র পুত্র দান করিবার জন্য।’” (মার্‌ইয়াম ১৯:১৯)

কালিমাতুল্লাহ্‌ (আল্লাহ্‌র বাণী বা কথা)

kalimatullah

إِلاَّ الْحَقِّ إِنَّمَا الْمَسِيحُ عِيسَى ابْنُ مَرْيَمَ رَسُولُ اللّهِ وَكَلِمَتُهُ أَلْقَاهَا إِلَى مَرْيَمَ وَرُوحٌ مِّنْهُ ۝

“. . ‘ঈসা মসীহ্‌ তো আল্লাহ্‌র রাসূল এবং তাঁহার বাণী, যাহা তিনি মার্‌ইয়ামের নিকট প্রেরণ করিয়াছিলেন ও তাঁহার আদেশ। . .” (আন-নিসা ৪:১৭১)

إِذْ قَالَتِ الْمَلآئِكَةُ يَا مَرْيَمُ إِنَّ اللّهَ يُبَشِّرُكِ بِكَلِمَةٍ مِّنْهُ اسْمُهُ الْمَسِيحُ عِيسَى ابْنُ مَرْيَمَ وَجِيهًا فِي الدُّنْيَا وَالآخِرَةِ وَمِنَ الْمُقَرَّبِينَ۝

“স্মরণ কর, যখন ফিরিশতাগণ বলিল, ‘হে মার্‌ইয়াম! নিশ্চয়ই আল্লাহ্‌ তোমাকে তাঁহার পক্ষ হইতে একটি কালেমার সুসংবাদ দিতেছেন। তাহার নাম মসীহ্‌ মার্‌ইয়াম-তনয় ‘ঈসা, সে দুনিয়া ও আখিরাতে সম্মানিত এবং সান্নিধ্যপ্রাপ্তগণের অন্যতম হইবে।” (আলে-‘ইমরান ৩:৪৫)

‘রূহুন-মিন্‌হু (তাঁহার রূহ্‌)

ruhun-minhu

إِلاَّ الْحَقِّ إِنَّمَا الْمَسِيحُ عِيسَى ابْنُ مَرْيَمَ رَسُولُ اللّهِ وَكَلِمَتُهُ أَلْقَاهَا إِلَى مَرْيَمَ وَرُوحٌ مِّنْهُ ۝

“. . ‘ঈসা মসীহ্‌ তো আল্লাহ্‌র রাসূল এবং তাঁহার বাণী, যাহা তিনি মার্‌ইয়ামের নিকট প্রেরণ করিয়াছিলেন ও তাঁহার রূহ্‌। . .” (নিসা ৪:১৭১)

وَالَّتِي أَحْصَنَتْ فَرْجَهَا فَنَفَخْنَا فِيهَا مِن رُّوحِنَا وَجَعَلْنَاهَا وَابْنَهَا آيَةً لِّلْعَالَمِينَ ۝

“এবং স্মরণ কর সেই নারীকে [মর্‌ইয়াম], যে নিজ সতীত্বকে রক্ষা করিয়াছিল, অতঃপর তাহার মধ্যে আমি আমার রূহ্‌ ফুঁকিয়া দিয়াছিলাম এবং তাহাকে ও তাহার পুত্রকে করিহাছিলাম বিশ্ববাসীর জন্য এক নিদর্শন।” (আম্বিয়া’ ২১:৯১)

وَمَرْيَمَ ابْنَتَ عِمْرَانَ الَّتِي أَحْصَنَتْ فَرْجَهَا فَنَفَخْنَا فِيهِ مِن رُّوحِنَا وَصَدَّقَتْ بِكَلِمَاتِ رَبِّهَا وَكُتُبِهِ وَكَانَتْ مِنَ الْقَانِتِينَ ۝

“আরও দৃষ্টান্ত দিতেছেন ‘ইমরান-তনয়া মার্‌ইয়ামের-যে তাহার সতীত্ব রক্ষা করিহাছিল, ফলে আমি তাহার মধ্যে রূহ্‌ ফুঁকিয়া দিয়াছিলাম এবং সে তাহার প্রতিপালকের বাণী ও তাঁহার কিতাব-সমূহ সত্য বলিয়া গ্রহণ করিয়াছিল, সে ছিল অনুগতদের অন্যতম।” (তাহ্‌রীম ৬৬:১২)

ইব্‌ন মারিয়ামা (মরিয়ামের সন্তান)

Ibn-maryam

قَالَ عِيسَى ابْنُ مَرْيَمَ اللَّهُمَّ رَبَّنَا أَنزِلْ عَلَيْنَا مَآئِدَةً مِّنَ السَّمَاء تَكُونُ لَنَا عِيداً لِّأَوَّلِنَا وَآخِرِنَا وَآيَةً مِّنكَ وَارْزُقْنَا وَأَنتَ خَيْرُ الرَّازِقِينَ ۝

“মার্‌ইয়াম-তনয় ‘ঈসা বলিল, ‘হে আল্লাহ্‌ আমাদের প্রতিপালক! আমাদের জন্য আসমান হইতে খাদ্যপূর্ণ খাঞ্চা প্রেরণ কর; ইহা আমাদের ও আমাদের পূর্ববর্তী ও পরবর্তী সকলের জন্য হইবে আনন্দোৎসব স্বরূপ এবং তোমার নিকট হইতে নিদর্শন। আর আমাদিগকে জীবিকা দান কর; তুমিই তো শ্রেষ্ঠ জীবিকাদাতা।” (আল মায়িদা ৫:১১৪)

وَقَفَّيْنَا عَلَى آثَارِهِم بِعَيسَى ابْنِ مَرْيَمَ مُصَدِّقًا لِّمَا بَيْنَ يَدَيْهِ مِنَ التَّوْرَاةِ وَآتَيْنَاهُ الإِنجِيلَ فِيهِ هُدًى وَنُورٌ وَمُصَدِّقًا لِّمَا بَيْنَ يَدَيْهِ مِنَ التَّوْرَاةِ وَهُدًى وَمَوْعِظَةً لِّلْمُتَّقِينَ۝

“মার্‌ইয়াম-তনয় ‘ঈসাকে তাহার পূর্বে অবতীর্ণ তৌরাতের সমর্থকরূপে উহাদের পশ্চাতে প্রেরণ করিয়াছিলাম এবং তাহারা পূর্বে অবতীর্ণ তৌরাতের সমর্থকরূপে এবং মুত্তাকীদের জন্য পথের নির্দেশ ও উপদেশরূপে তাহাকে ইনজীল দিয়াছিলাম; উহাতে ছিল পথের নির্দেশ ও আলো।” (আল মায়িদা ৫:৪৬)

‘আব্দুল্লাহ্‌ (আল্লাহ্‌র বান্দা বা গোলাম)

abdullah

قَالَ إِنِّي عَبْدُ اللَّهِ آتَانِيَ الْكِتَابَ وَجَعَلَنِي نَبِيًّا۝

“সে বলল, ‘আমি তো আল্লাহ্‌র বান্দা। তিনি আমাকে কিতাব দিয়াছেন, আমাকে নবী করিয়াছেন। (মার্‌ইয়াম ১৯:৩০)

لَّن يَسْتَنكِفَ الْمَسِيحُ أَن يَكُونَ عَبْداً لِّلّهِ وَلاَ الْمَلآئِكَةُ الْمُقَرَّبُونَ وَمَن يَسْتَنكِفْ عَنْ عِبَادَتِهِ وَيَسْتَكْبِرْ فَسَيَحْشُرُهُمْ إِلَيهِ جَمِيعًا۝

“মসীহ্‌ আল্লাহ্‌র বান্দা হওয়াকে কখনও হেয় জ্ঞান করে না, এবং ঘনিষ্ঠ ফিরিশ্‌তাগণও করে না। আর কেহ তাঁহার ‘ইবাদতকে হেয় জ্ঞান করিলে এবং অহংকার করিলে তিনি অবশ্যই তাহাদের সকলকে তাঁহার নিকট একত্র করিবেন।”
(নিসা ৪:১৭২)

নাবী (নবী)

nabiy

قَالَ إِنِّي عَبْدُ اللَّهِ آتَانِيَ الْكِتَابَ وَجَعَلَنِي نَبِيًّا۝

“সে বলল, ‘আমি তো আল্লাহ্‌র বান্দা। তিনি আমাকে কিতাব দিয়াছেন, আমাকে নবী করিয়াছেন। (মার্‌ইয়াম ১৯:৩০)

রাসূলুল্লাহ্‌ (আল্লাহ্‌র সংবাদদাতা)

rasulullah

إِلاَّ الْحَقِّ إِنَّمَا الْمَسِيحُ عِيسَى ابْنُ مَرْيَمَ رَسُولُ اللّهِ وَكَلِمَتُهُ أَلْقَاهَا إِلَى مَرْيَمَ وَرُوحٌ مِّنْهُ ۝

“. . ‘ঈসা মসীহ্‌ তো আল্লাহ্‌র রাসূল এবং তাঁহার বাণী, যাহা তিনি মার্‌ইয়ামের নিকট প্রেরণ করিয়াছিলেন ও তাঁহার আদেশ। . .” (নিসা ৪:১৭১)

تِلْكَ الرُّسُلُ فَضَّلْنَا بَعْضَهُمْ عَلَى بَعْضٍ مِّنْهُم مَّن كَلَّمَ اللّهُ وَرَفَعَ بَعْضَهُمْ دَرَجَاتٍ وَآتَيْنَا عِيسَى ابْنَ مَرْيَمَ الْبَيِّنَاتِ وَأَيَّدْنَاهُ بِرُوحِ الْقُدُسِ ۝

“এই রাসূলগণ, তাহাদের মধ্যে কাহাকেও কাহারও উপর শ্রেষ্ঠত্ব দিয়াছি। তাহাদের মধ্যে এমন কেহ রহিয়াছে যাহার সহিত আল্লাহ্‌র কথা বলিয়াছেন, আবার কাহাকেও উচ্চ মর্যাদায় উন্নীত করিয়াছেন। মার্‌ইয়াম-তনয় ‘ঈসাকে স্পষ্ট প্রমাণ প্রদান করিয়াছি ও পবিত্র আত্মা দ্বারা তাহাকে শক্তিশালী করিয়াছি।” (বাকারা ২:২৫৩)

وَرَسُولاً إِلَى بَنِي إِسْرَائِيلَ أَنِّي قَدْ جِئْتُكُم بِآيَةٍ مِّن رَّبِّكُمْ أَنِّي أَخْلُقُ لَكُم مِّنَ الطِّينِ كَهَيْئَةِ الطَّيْرِ فَأَنفُخُ فِيهِ فَيَكُونُ طَيْرًا بِإِذْنِ اللّهِ وَأُبْرِىءُ الأكْمَهَ والأَبْرَصَ وَأُحْيِـي الْمَوْتَى بِإِذْنِ اللّهِ وَأُنَبِّئُكُم بِمَا تَأْكُلُونَ وَمَا تَدَّخِرُونَ فِي بُيُوتِكُمْ إِنَّ فِي ذَلِكَ لآيَةً لَّكُمْ إِن كُنتُم مُّؤْمِنِينَ۝

“এবং তাহাকে বনী ইসরাঈলের জন্য রাসূল করিবেন।’ সে বলিবে, ‘আমি তোমাদের প্রতিপালকের পক্ষ হইতে তোমাদের নিকট নিদর্শন লইয়া আসিয়াছি। আমি তোমাদের জন্য কর্দম দ্বারা একটি পক্ষীসদৃশ আকৃতি গঠন করিব; অতঃপর উহাতে আমি ফুৎকার দিব; ফলে আল্লাহ্‌র হুকুমে উহা পাখী হইয়া যাইবে। আমি জন্মান্ধ ও কুষ্ঠ ব্যাধিগ্রস্তকে নিরাময় করিব এবং আল্লাহ্‌র হুকুমে মৃতকে জীবন্ত করিব। তোমরা তোমাদের গৃহে যাহা আহার কর ও মওজুদ কর তাহা তোমাদিগকে বলিয়া দিব। তোমরা যদি মু’মিন হও তবে উহাতে তোমাদের জন্য নিদর্শন রহিয়াছে।” (আলে-‘ইমরান ৩:৪৯)

رَبَّنَا آمَنَّا بِمَا أَنزَلَتْ وَاتَّبَعْنَا الرَّسُولَ فَاكْتُبْنَا مَعَ الشَّاهِدِينَ۝

“হে আমাদের প্রতিপালক! তুমি যাহা অবতীর্ণ করিয়াছ তাহাতে আমরা ঈমান আনিয়াছি এবং আমরা এই রাসূলের অনুসরণ করিয়াছি। সুতরাং আমাদিগকে সাক্ষ্যদানকারীদের তালিকাভুক্ত কর।” (আলে-‘ইমরান ৩:৫৩)

মুফাদ্দাল (মর্যাদাপ্রাপ্ত)

mufaddal

تِلْكَ الرُّسُلُ فَضَّلْنَا بَعْضَهُمْ عَلَى بَعْضٍ مِّنْهُم مَّن كَلَّمَ اللّهُ وَرَفَعَ بَعْضَهُمْ دَرَجَاتٍ وَآتَيْنَا عِيسَى ابْنَ مَرْيَمَ الْبَيِّنَاتِ وَأَيَّدْنَاهُ بِرُوحِ الْقُدُسِ ۝

“এই রাসূলগণ, তাহাদের মধ্যে কাহাকেও কাহারও উপর শ্রেষ্ঠত্ব দিয়াছি। তাহাদের মধ্যে এমন কেহ রহিয়াছে যাহার সহিত আল্লাহ্‌র কথা বলিয়াছেন, আবার কাহাকেও উচ্চ মর্যাদায় উন্নীত করিয়াছেন। মার্‌ইয়াম-তনয় ‘ঈসাকে স্পষ্ট প্রমাণ প্রদান করিয়াছি ও পবিত্র আত্মা দ্বারা তাহাকে শক্তিশালী করিয়াছি।” (বাকারা ২:২৫৩)

আল-সালীহ্‌ (সৎ/পুণ্যবান/সজ্জন)

salih

وَيُكَلِّمُ النَّاسَ فِي الْمَهْدِ وَكَهْلاً وَمِنَ الصَّالِحِينَ ۝

“সে দোলনায় থাকা অবস্থায় ও পরিণত বয়সে মানুষের সহিত কথা বলিবে এবং সে হইবে পুণ্যবানদের একজন।” (আলে-‘ইমরান ৩:৪৬)

وَزَكَرِيَّا وَيَحْيَى وَعِيسَى وَإِلْيَاسَ كُلٌّ مِّنَ الصَّالِحِينَ ۝

“এবং যাকারিয়া, ইয়াহ্‌য়া, ‘ঈসা এবং ইল্‌য়াসকেও সৎপথে পরিচালিত করিয়াছিলাম। ইহারা সকলে সজ্জনদের অন্তরবভুক্ত…” (আন্‌’আম ৬:৮৫)

মুবারাক (ধন্য বা বরকতময়)

mubarak

وَجَعَلَنِي مُبَارَكًا أَيْنَ مَا كُنتُ وَأَوْصَانِي بِالصَّلَاةِ وَالزَّكَاةِ مَا دُمْتُ حَيًّا ۝

“যেখানেই আমি থাকি না কেন তিনি আমাকে বরকতময় করিয়াছেন, তিনি আমাকে নির্দেশ দিয়াছেন যত দিন জীবিত থাকি তত দিন সালাত ও যাকাত আদায় করিতে।”(মার্‌ইয়াম ১৯:৩১)

‘আয়াহ্‌ (চিহ্ন/নিদর্শন)

ayah

وَالَّتِي أَحْصَنَتْ فَرْجَهَا فَنَفَخْنَا فِيهَا مِن رُّوحِنَا وَجَعَلْنَاهَا وَابْنَهَا آيَةً لِّلْعَالَمِينَ ۝

“এবং স্মরণ কর সেই নারীকে [মর্‌ইয়াম], যে নিজ সতীত্বকে রক্ষা করিয়াছিল, অতঃপর তাহার মধ্যে আমি আমার রূহ্‌ ফুঁকিয়া দিয়াছিলাম এবং তাহাকে ও তাহার পুত্রকে করিয়াছিলাম বিশ্ববাসীর জন্য এক নিদর্শন।” (আম্বিয়া’ ২১:৯১)

قَالَ كَذَلِكِ قَالَ رَبُّكِ هُوَ عَلَيَّ هَيِّنٌ وَلِنَجْعَلَهُ آيَةً لِلنَّاسِ وَرَحْمَةً مِّنَّا وَكَانَ أَمْرًا مَّقْضِيًّا ۝

“সে [আল্লাহ্‌র রূহ্‌] বলিল, ‘এইরূপই হইবে।’ তোমার প্রতিপালক বলিয়াছেন, ‘ইহা আমার জন্য সহজসাধ্য এবং আমি উহাকে এইজন্য সৃষ্টি করিব যেন সে হয় মানুষের জন্য এক নিদর্শন ও আমার নিকট হইতে এক অনুগ্রহ; ইহা তো এক স্থিরীকৃত ব্যাপার।” (মার্‌ইয়াম ১৯:২১)

আল-মুক্বার্‌রাব্‌ (আল্লাহ্‌র সান্নিধ্যে)

muqarrab

إِذْ قَالَتِ الْمَلآئِكَةُ يَا مَرْيَمُ إِنَّ اللّهَ يُبَشِّرُكِ بِكَلِمَةٍ مِّنْهُ اسْمُهُ الْمَسِيحُ عِيسَى ابْنُ مَرْيَمَ وَجِيهًا فِي الدُّنْيَا وَالآخِرَةِ وَمِنَ الْمُقَرَّبِينَ ۝

“স্মরণ কর, যখন ফিরিশতাগণ বলিল, ‘হে মার্‌ইয়াম! নিশ্চয়ই আল্লাহ্‌ তোমাকে তাঁহার পক্ষ হইতে একটি কালেমার সুসংবাদ দিতেছেন। তাহার নাম মসীহ্‌ মার্‌ইয়াম-তনয় ‘ঈসা, সে দুনিয়া ও আখিরাতে সম্মানিত এবং সান্নিধ্যপ্রাপ্তগণের অন্যতম হইবে।” (আলে-‘ইমরান ৩:৪৫)

ফীয় ক্বামাথালি ‘আদামা (আদমের দৃষ্টান্তসদৃশ)

fiy-kamathali-adama

إِنَّ مَثَلَ عِيسَى عِندَ اللّهِ كَمَثَلِ آدَمَ خَلَقَهُ مِن تُرَابٍ ثِمَّ قَالَ لَهُ كُن فَيَكُونُ ۝

“আল্লাহ্‌র নিকট নিশ্চয়ই ‘ঈসার দৃষ্টান্ত আদমের দৃষ্টান্তসদৃশ। তিনি তাহাকে মৃত্তিকা হইতে সৃষ্টি করিয়াছিলেন অতঃপর তাহাকে বলিয়াছিলেন, ‘হও’, ফলে সে হইয়া গেল।” (আলে-‘ইমরান ৩:৫৯)

সাহীদ (সাক্ষী)

shaheed

مَا قُلْتُ لَهُمْ إِلاَّ مَا أَمَرْتَنِي بِهِ أَنِ اعْبُدُواْ اللّهَ رَبِّي وَرَبَّكُمْ وَكُنتُ عَلَيْهِمْ شَهِيدًا مَّا دُمْتُ فِيهِمْ فَلَمَّا تَوَفَّيْتَنِي كُنتَ أَنتَ الرَّقِيبَ عَلَيْهِمْ وَأَنتَ عَلَى كُلِّ شَيْءٍ شَهِيدٌ ۝

“তুমি আমাকে যে আদেশ করিয়াছ তাহা ব্যতীত তাহাদিগকে আমি কিছুই বলি নাই, তাহা এইঃ ‘তোমরা আমার প্রতিপালক ও তোমাদের প্রতিপালক আল্লাহ্‌র ‘ইবাদত কর এবং যত দিন আমি তাহাদের মধ্যে ছিলাম তত দিন আমি ছিলাম তাহাদের কার্যকলাপের সাক্ষী, কিন্তু যখন তুমি আমাকে তুলিয়া লইলে তখন তুমিই তো ছিলে তাহাদের কার্যকলাপের তত্ত্বাবদায়ক এবং তুমিই সর্ববিষয়ে সাক্ষী।” (আল-মায়িদা ৫:১১৭)

وَإِن مِّنْ أَهْلِ الْكِتَابِ إِلاَّ لَيُؤْمِنَنَّ بِهِ قَبْلَ مَوْتِهِ وَيَوْمَ الْقِيَامَةِ يَكُونُ عَلَيْهِمْ شَهِيدًا ۝

“কিতাবীদের মধ্যে প্রত্যেকে নিজেদের মৃত্যুর পূর্বে তাহাকে [ঈসাকে] বিশ্বাস করিবেই এবং কিয়ামতের দিন সে তাহাদের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিবে।” (নিসা ৪:১৫৯)

মু’আয়্‌য়াদ বি রূহ্‌ উল-কুদুস (পাক-রূহ দ্বারা শক্তিশালী করা)

মু’আয়্‌য়াদ বি রূহ্‌ উল-কুদুস (পাক-রূহ দ্বারা শক্তিশালী করা)

وَلَقَدْ آتَيْنَا مُوسَى الْكِتَابَ وَقَفَّيْنَا مِن بَعْدِهِ بِالرُّسُلِ وَآتَيْنَا عِيسَى ابْنَ مَرْيَمَ الْبَيِّنَاتِ وَأَيَّدْنَاهُ بِرُوحِ الْقُدُسِ أَفَكُلَّمَا جَاءكُمْ رَسُولٌ بِمَا لاَ تَهْوَى أَنفُسُكُمُ اسْتَكْبَرْتُمْ فَفَرِيقاً كَذَّبْتُمْ وَفَرِيقاً تَقْتُلُونَ۝

“এবং নিশ্চয়ই আমি মূসাকে কিতাব দিয়াছি এবং তাহার পরে পর্যায়ক্রমে রাসূলগণকে প্রেরণ করিয়াছি, মার্‌ইয়াম-তনয় ‘ঈসাকে স্পষ্ট প্রমাণ দিয়াছি এবং “পবিত্র আত্মা’ দ্বারা তাহাকে শক্তিশালী করিয়াছি। তবে কি যখনই কোন রাসূল তোমাদের নিকট এমন কিছু আনিয়াছে যাহা তোমাদের মনঃপূত নহে তখনই তোমরা অহংকার করিয়াছ আর কতককে অস্বীকার করিয়াছ এবং কতককে হত্যা করিয়াছ?” (বাকারা ২:৮৭)

تِلْكَ الرُّسُلُ فَضَّلْنَا بَعْضَهُمْ عَلَى بَعْضٍ مِّنْهُم مَّن كَلَّمَ اللّهُ وَرَفَعَ بَعْضَهُمْ دَرَجَاتٍ وَآتَيْنَا عِيسَى ابْنَ مَرْيَمَ الْبَيِّنَاتِ وَأَيَّدْنَاهُ بِرُوحِ الْقُدُسِ۝

“এই রাসূলগণ, তাহাদের মধ্যে কাহাকেও কাহারও উপর শ্রেষ্ঠত্ব দিয়াছি। তাহাদের মধ্যে এমন কেহ রহিয়াছে যাহার সহিত আল্লাহ্‌র কথা বলিয়াছেন, আবার কাহাকেও উচ্চ মর্যাদায় উন্নীত করিয়াছেন। মার্‌ইয়াম-তনয় ‘ঈসাকে স্পষ্ট প্রমাণ প্রদান করিয়াছি ও পবিত্র আত্মা দ্বারা তাহাকে শক্তিশালী করিয়াছি।” (বাকারা ২:২৫৩)

إِذْ قَالَ اللّهُ يَا عِيسى ابْنَ مَرْيَمَ اذْكُرْ نِعْمَتِي عَلَيْكَ وَعَلَى وَالِدَتِكَ إِذْ أَيَّدتُّكَ بِرُوحِ الْقُدُسِ تُكَلِّمُ النَّاسَ فِي الْمَهْدِ وَكَهْلاً وَإِذْ عَلَّمْتُكَ الْكِتَابَ وَالْحِكْمَةَ وَالتَّوْرَاةَ وَالإِنجِيلَ وَإِذْ تَخْلُقُ مِنَ الطِّينِ كَهَيْئَةِ الطَّيْرِ بِإِذْنِي فَتَنفُخُ فِيهَا فَتَكُونُ طَيْرًا بِإِذْنِي وَتُبْرِىءُ الأَكْمَهَ وَالأَبْرَصَ بِإِذْنِي وَإِذْ تُخْرِجُ الْمَوتَى بِإِذْنِي وَإِذْ كَفَفْتُ بَنِي إِسْرَائِيلَ عَنكَ إِذْ جِئْتَهُمْ بِالْبَيِّنَاتِ فَقَالَ الَّذِينَ كَفَرُواْ مِنْهُمْ إِنْ هَـذَا إِلاَّ سِحْرٌ مُّبِينٌ۝

“স্মরণ কর, আল্লাহ্‌ বলিবেন, ‘হে মার্‌ইয়াম-তনয় ‘ঈসা! তোমার প্রতি ও তোমার জননীর প্রতি আমার অনুগ্রহ স্মরণ করঃ পবিত্র আত্মা দ্বারা আমি তোমাকে শক্তিশালী করিয়াছিলাম এবং তুমি দোলনায় থাকা অবস্থায় ও পরিণত বয়সে মানুষের সহিত কথা বলিতে; তোমাকে কিতাব, হিকমত, তৌরাত ও ইন্‌জীল শিক্ষা দিয়াছিলাম; তুমি কর্দম দ্বারা আমার অনুমতিক্রমে পাখীসদৃশ আকৃতি গঠন করিতে এবং উহাতে ফুৎকার দিতে, ফলে আমার অনুমতিক্রমে উহা পাখী হইয়া যাইত; জন্মান্ধ ও কুষ্ঠ ব্যাধিগ্রস্তকে তুমি আমার অনুমতিক্রমে তুমি মৃতকে জীবিত করিতে; আমি তোমা হইতে বনী ইস্‌রাঈলকে নিবৃত্ত রাখিয়াছিলাম; তুমি যখন তাহাদের নিকট স্পষ্ট নিদর্শন আনিয়াছিলে তখন তাহাদের মধ্যে যাহারা কুফরী করিয়াছিল তাহারা বলিতেছিল, ‘ইহা তো স্পষ্ট জাদু।” (মায়িদা ৫:১১০)

মুসাদ্দিক (সমর্থক)

মুসাদ্দিক (সমর্থক)

وَمُصَدِّقًا لِّمَا بَيْنَ يَدَيَّ مِنَ التَّوْرَاةِ وَلِأُحِلَّ لَكُم بَعْضَ الَّذِي حُرِّمَ عَلَيْكُمْ وَجِئْتُكُم بِآيَةٍ مِّن رَّبِّكُمْ فَاتَّقُواْ اللّهَ وَأَطِيعُونِ۝

“আর আমি আসিয়াছি আমার সম্মুখে তৌরাতের যাহা রহিয়াছে উহার সমর্থকরূপে ও তোমাদের জন্য যাহা নিষিদ্ধ ছিল উহার কতকগুলিকে বৈধ করিতে। এবং আমি তোমাদের প্রতিপালকের পক্ষ হইতে তোমাদের নিকট নিদর্শন লইয়া আসিয়াছি। সুতরাং আল্লাহ্‌কে ভয় কর এবং আমাকে অনুসরণ কর।” (আলে-‘ইমরান ৩:৫০)

ওয়াজীহ্‌ (উচ্চসম্মানিত)

ওয়াজীহ্‌ (উচ্চসম্মানিত)

إِذْ قَالَتِ الْمَلآئِكَةُ يَا مَرْيَمُ إِنَّ اللّهَ يُبَشِّرُكِ بِكَلِمَةٍ مِّنْهُ اسْمُهُ الْمَسِيحُ عِيسَى ابْنُ مَرْيَمَ وَجِيهًا فِي الدُّنْيَا وَالآخِرَةِ وَمِنَ الْمُقَرَّبِينَ۝

“স্মরণ কর, যখন ফিরিশতাগণ বলিল, ‘হে মার্‌ইয়াম! নিশ্চয়ই আল্লাহ্‌ তোমাকে তাঁহার পক্ষ হইতে একটি কালেমার সুসংবাদ দিতেছেন। তাহার নাম মসীহ্‌ মার্‌ইয়াম-তনয় ‘ঈসা, সে দুনিয়া ও আখিরাতে সম্মানিত এবং সান্নিধ্যপ্রাপ্তগণের অন্যতম হইবে।” (আলে-‘ইমরান ৩:৪৫)

রহমত (অনুগ্রহ)

রহমত (অনুগ্রহ)

قَالَ كَذَلِكِ قَالَ رَبُّكِ هُوَ عَلَيَّ هَيِّنٌ وَلِنَجْعَلَهُ آيَةً لِلنَّاسِ وَرَحْمَةً مِّنَّا وَكَانَ أَمْرًا مَّقْضِيًّا۝

“সে [আল্লাহ্‌র রূহ্‌] বলিল, ‘এইরূপই হইবে।’ তোমার প্রতিপালক বলিয়াছেন, ‘ইহা আমার জন্য সহজসাধ্য এবং আমি উহাকে এইজন্য সৃষ্টি করিব যেন সে হয় মানুষের জন্য এক নিদর্শন ও আমার নিকট হইতে এক অনুগ্রহ; ইহা তো এক স্থিরীকৃত ব্যাপার।” (মার্‌ইয়াম ১৯:২১)

কউল-উল-হক্ক (সত্যের কথা)

কউল-উল-হক্ক (সত্যের কথা)

ذَلِكَ عِيسَى ابْنُ مَرْيَمَ قَوْلَ الْحَقِّ الَّذِي فِيهِ يَمْتَرُونَ۝

“এই-ই মারইয়ামের পুত্র ঈসা। সত্যকথা, যে সম্পর্কে লোকেরা বিতর্ক করে।”
(মার্‌ইয়াম ১৯:৩৪, পবিত্র কুর’আনুল করীম অনুবাদ – কিং ফাহ্‌দ )

লা’ইল্‌মু লিস সা‘আতি (কিয়ামতের নিদর্শন)

লা’ইল্‌মু লিস সা‘আতি (কিয়ামতের নিদর্শন)

وَإِنَّهُ لَعِلْمٌ لِّلسَّاعَةِ فَلَا تَمْتَرُنَّ بِهَا وَاتَّبِعُونِ هَذَا صِرَاطٌ مُّسْتَقِيمٌ۝

“ঈসা তো কিয়ামতের নিদর্শন; সুতরাং তোমরা কিয়ামতে সন্দেহ করিও না এবং আমাকে অনুসরণ কর। ইহাই সরল পথ।” (যুখ্‌রুফ ৪৩:৬১)

উপসংহার

এই ছোট পাঠটি কোর’আনে ব্যবহ্নত ঈসা নবীর বিভিন্ন নামগুলোর বর্ণনা দিয়েছে, সাধারণভাবে ও স্বল্প পরিসরে। এই পাঠটি ব্যাপক নয়। এইটা কোর’আনে ঈসা নবীর সম্পর্কে উল্লেখিত সবগুলো বর্ণনার উল্লেখ্য করেনি। তা করতে গেলে, একটি বড় বইয়ের প্রয়োজন হত। তবুও, এরমধ্যে এক বা একাধিক উদাহরণ আছে, কিভাবে কোর’আন ঈসা নবীর নামগুলোর সঠিক চিত্র, বর্ণনা ও ব্যবহার করেছে। এতে ঈসা নবীর সম্পর্কে এমন অতুলনীয় কিছু বর্ণনা আছে যা অদ্বিতীয়। আমরা আশা করি যে, পাঠক এই পাঠটি শেষ করে বাংলা কোর’আন শরীফ পড়তে শুরু করবেন। তা করলে, ঈসা নবীর মর্যদা ও আরো অন্য গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো সঠিক ভাবে জানতে পারবে, যা এর মধ্যে রয়েছে।

কোরআন শরীফে হযরত মুহাম্মদ সম্পর্কে এখানে দেখুন.

কোনো প্রশ্ন বা মন্তব্য থাকলে আমরা শুনতে চাই! নিচের ফর্ম দিয়ে যোগাযোগ করুন:

Enable javascript in your browser if this form does not load.

Leave a Reply

Your email address will not be published.